টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইউনুস সিকদারের জানাযায় নেমেছিলো শোকার্ত মানুষের ঢল।
বৃহস্পতিবার ( ৬ নভেম্বর ) বাদ আছর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি,জামায়াত ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
জানাযায় দেয়া বক্তব্যে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, হত্যাকারি চিহ্নিত। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
এসময় জেলা জামায়াতের আমীর ও উখিয়া-টেকনাফ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুর আহমেদ আনোয়ারী বলন, দলমত নির্বিশেষে হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং হত্যাকারী যেই দ্রুত আইনের আওতায় আনতে।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও উখিয়া-টেকনাফ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
জানাজা শেষে টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে দাফন শেষে মামলার বিষয়ে পরিবার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছেন নিহত ইউনুস সিকদারের পুত্র মোহাম্মদ ফারদিন।
এদিকে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস গণমাধ্যম কে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ মামলা করেনি। তবে পুলিশী তদন্ত চলছে। পরিবার মামলা করলে তদন্ত আরো গতি পাবে। যদি পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।
গত ৪ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকার নিজ বাসা থেকে একই সংগঠন টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমের ফোনকলে রঙ্গিখালীর উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান ইউনুস সিকদার। পরদিন (৫ নভেম্বর) সকালে রঙ্গিখালী এলাকার একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইউনুস সিকদার সাবরাং চান্দলী পাড়ার মৃত হাজী মো. কাসেমের পুত্র।
নিহত ইউনুস সিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় আলম কে দায়ী করা হয়েছে।
নিহত ইউনুস সিকদার ও মো. আলমের মধ্যে কিছুদিন ধরে লেনদেনজনিত কারণে বিরোধ চলছে এমনটাই দাবী স্থানীয় একটি সূত্রের। সূত্র টি দাবী করছে ইয়াবা সংক্রান্ত লেনদেনের কারনেই এ হত্যাকান্ড। তবে এ নিয়ে কোনো তথ্য প্রমান দেখাতে পারেনি সূত্রটি।
নোমান অরুপ 



















