Thursday, June 13, 2024

৬২ হাজার টাকায় সমুদ্র সৈকতে নাগরদোলার অনুমতি : ঘটছে নানা দূর্ঘটনা

শাহেদ হোছাইন মুবিন :

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছেদ্য সমুদ্র সৈকত। দেশ বিদেশের ভ্রমণ পিপাসুরা এসে ভিড় জমায় এই সৈকতে। আর অনেক সময় ভ্রমণে এসে আনন্দ বিষাদে পরিনত হয় বিষাদে। সম্প্রতি বালুকাময় সৈকতের পর্যটকদের জন্যে সুগন্ধা, লাবনী আর কলাতলী পয়েন্টে বসানো হয়েছে নাগরদোলা। এই নাগর দোলায় চড়তে গিয়ে ঘটছে দূর্ঘটনা।

সম্প্রতি ঈদুল আজহার ছুটিতে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে নাগরদোলা থেকে ছিটকে পড়ে ৩ জন পর্যটক আহত হন। শনিবার ( ৮ জুলাই ২০২৩) বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্টসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসেছে এসব নাগরদোলা। যেখানে চড়ার বিনিময়ে ছোট-বড় প্রতিজন পর্যটক থেকে নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা করে। আর এসব দোলনাগুলোতে চড়তে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট বড় অঘটনের শিকার হচ্ছে পর্যটকেরা।

একাধিক পর্যটকদের অভিযোগ নাগরদোলায় বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে ১০ টাকা হলেও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা । সৈকতের বালিয়াড়িতে নাগরদোলায় চড়াটাও বিপজ্জনক মনে করছেন অনেকেই।

সৈকতের বালিয়াড়িতে দোলনা বসানো প্রসঙ্গে কথা হয় ঈদগাঁও এলাকা থেকে এসে নাগরদোলার মালিক মো: তৈয়বের সঙ্গে। তিনি জানান সৈকতের বালিয়াড়িতে দোলনা বসানোর অনুমোদন নিতে গিয়ে ৬২ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে। এরপর মিলে অনুমতি। ঈদের দিন থেকে দোলনা বসিয়ে সেই ৬২ হাজার টাকা এখনো তুলতে পারেননি বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক দীপক শর্মা দীপু বলেন, ঈদ মৌসুমে কয়েক দিনের জন্য অনুমতি নিয়ে একমাসেরও অধিক সময়ের জন্য থেকে যায় অসাধু এসব ব্যবসায়ীরা। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় নানান দূর্ঘটনা,এতে তিনি মনে করেন পর্যটকেরা কক্সবাজার বিমূখ হবে। তাই এসব দোলনা শীঘ্রই সমুদ্র সৈকত থেকে তুলে দেওয়ার দাবি জানান ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা বলেন,
ঈদের সময়ে নাগরদোলা বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঈদের পরদিনের ঘটনাটির জন্য নাগরদোলার মালিককে সব খরচ বহন করার জন্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং নাগরদোলাগুলোকে উঠিয়ে দিতে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান এই কর্মকর্তা।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ