ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে বাসভাড়া বৃদ্ধি কক্সবাজারে ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ইয়াবাসহ ১৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেপ্তার ২৯ হলদিয়ায় কিশোরকে মারধর করে অপহরণ : থানায় অভিযোগ দায়ের মহেশখালীতে ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু লিংক রোডে এসআরবির হাতে আটক ২ ২ মাদক কারবারি : ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন নিখোঁজের ৮ বছর পর বালুখালীর জসিমকে  পঞ্চগড় থেকে ফিরে পেল পরিবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ বিশ্ব গণ্ডার দিবস আজ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায়

শীতে চুল ভালো রাখতে যে কাজগুলো করতেই হবে

ঘন ঘন শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। ছবি- সংগৃহীত

ঠান্ডা তাপমাত্রা এবং শুষ্ক বাতাসের কারণে শীতের সময় চুল খুব দ্রুত হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক সৌন্দর্য। রুক্ষ চুল যেমন দ্রুত ভেঙে পড়ে, তেমনি বাড়ে মাথার ত্বকের চুলকানির মতো সমস্যাও। শীতের শুষ্কতা যেন চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত না করতে পারে, সেজন্য কিছু টিপস জেনে নিন।

শীতের সময় ধুলাবালির প্রকোপ বেড়ে যায়। এসময় চুল রক্ষা করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখা। চুলকে ঠান্ডা বাতাস থেকেও রক্ষা করবে এগুলো। শীতের বাতাস দ্রুত চুল থেকে আর্দ্রতা টেনে নেয়।
খুব ঘন ঘন শ্যাম্পু করবেন না শীতের সময়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এতে চুল শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। চেষ্টা করুন সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে।
শীতে বাড়ে খুশকির প্রকোপ। মাথার ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখুন খুশকি এড়াতে। শিয়া মাখন বা অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন রুক্ষতা এড়াতে। ডিপ কন্ডিশনিং করবেন সপ্তাহে একবার। এতে চুল ভেঙে যাওয়া রোধ হবে।
স্ট্রেইটনার বা ব্লো ড্রায়ারের মতো তাপ প্রদানকারী সরঞ্জামের অত্যধিক ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এগুলো চুল আরও রুক্ষ করে দেয় এবং চুল ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
হাইড্রেটিং তেল এবং সিরাম ব্যবহার করুন চুলে। শীতকালে আর্দ্রতা হ্রাসের কারণে চুল নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সপ্তাহে একবার বা দুইবার শিয়া তেলের মতো পুষ্টিকর তেল প্রয়োগ করুন চুলে। এতে চুল হাইড্রেট হবে। অ্যালোভেরা বা আর্গান তেলমিশ্রিত সিরাম প্রতিরক্ষামূলক স্তর যুক্ত করে চুলে যা হাইড্রেশন বজায় রাখে।
শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি আমরা। তবে বেশি গরম পানি কিন্তু চুলের জন্য ক্ষতিকর। এতে মাথার ত্বক থেকে প্রাকৃতিক তেল কমে যায় এবং চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। তাই অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকুন।
হাইড্রেটেড থাকার বিকল্প নেই। কারণ চুলের স্বাস্থ্য ভেতর থেকে ভালো রাখতে চাইলে হাইড্রেশন জরুরি। পুরো শীতকালে পর্যাপ্ত পানি পান করলে চুলের গোড়া হাইড্রেট থাকে এবং ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। বায়োটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো ভিটামিন সমৃদ্ধ সুষম খাবারও খান নিয়মিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে বাসভাড়া বৃদ্ধি

শীতে চুল ভালো রাখতে যে কাজগুলো করতেই হবে

আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

ঠান্ডা তাপমাত্রা এবং শুষ্ক বাতাসের কারণে শীতের সময় চুল খুব দ্রুত হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক সৌন্দর্য। রুক্ষ চুল যেমন দ্রুত ভেঙে পড়ে, তেমনি বাড়ে মাথার ত্বকের চুলকানির মতো সমস্যাও। শীতের শুষ্কতা যেন চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত না করতে পারে, সেজন্য কিছু টিপস জেনে নিন।

শীতের সময় ধুলাবালির প্রকোপ বেড়ে যায়। এসময় চুল রক্ষা করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখা। চুলকে ঠান্ডা বাতাস থেকেও রক্ষা করবে এগুলো। শীতের বাতাস দ্রুত চুল থেকে আর্দ্রতা টেনে নেয়।
খুব ঘন ঘন শ্যাম্পু করবেন না শীতের সময়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এতে চুল শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। চেষ্টা করুন সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে।
শীতে বাড়ে খুশকির প্রকোপ। মাথার ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখুন খুশকি এড়াতে। শিয়া মাখন বা অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন রুক্ষতা এড়াতে। ডিপ কন্ডিশনিং করবেন সপ্তাহে একবার। এতে চুল ভেঙে যাওয়া রোধ হবে।
স্ট্রেইটনার বা ব্লো ড্রায়ারের মতো তাপ প্রদানকারী সরঞ্জামের অত্যধিক ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এগুলো চুল আরও রুক্ষ করে দেয় এবং চুল ভেঙে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
হাইড্রেটিং তেল এবং সিরাম ব্যবহার করুন চুলে। শীতকালে আর্দ্রতা হ্রাসের কারণে চুল নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সপ্তাহে একবার বা দুইবার শিয়া তেলের মতো পুষ্টিকর তেল প্রয়োগ করুন চুলে। এতে চুল হাইড্রেট হবে। অ্যালোভেরা বা আর্গান তেলমিশ্রিত সিরাম প্রতিরক্ষামূলক স্তর যুক্ত করে চুলে যা হাইড্রেশন বজায় রাখে।
শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি আমরা। তবে বেশি গরম পানি কিন্তু চুলের জন্য ক্ষতিকর। এতে মাথার ত্বক থেকে প্রাকৃতিক তেল কমে যায় এবং চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। তাই অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকুন।
হাইড্রেটেড থাকার বিকল্প নেই। কারণ চুলের স্বাস্থ্য ভেতর থেকে ভালো রাখতে চাইলে হাইড্রেশন জরুরি। পুরো শীতকালে পর্যাপ্ত পানি পান করলে চুলের গোড়া হাইড্রেট থাকে এবং ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। বায়োটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো ভিটামিন সমৃদ্ধ সুষম খাবারও খান নিয়মিত।