ডক্টর আযাদ বলেন, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি ( জাইকা) র সাথে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলমান থাকলে আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে পুর্নাঙ্গ ভাবে বন্দরে পৃথিবীর বড় জাহাজ গুলো নোঙর করবে।
মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রাম মহাল্লা ও ওঠান বৈঠক ও সাধারণ জনগণের সাথে গণসংযোগ কালে ডক্টর হামিদুর রহমান আযাদ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, ডক্টর হামিদুর রহমান আযাদ আরো বলেন, মহেশখালীর মাতার বাড়িকে কেন্দ্র করে ব্যবসা – বাণিজ্যের দ্বার উন্মোচন হবে। এর মধ্যে ধলঘাটা হবে উন্নয়নের আঞ্চলিক হাব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর মাতার বাড়িতে ১৫ মিটার গভীরতায় ৮ হাজার কন্টেইনার ধারন ক্ষমতার বড় জাহাজ গুলো নোঙর করবে। ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
তিনি বলেন দেশি বিদেশি বিনিয়োগের হাজার হাজার কোটি টাক যথাযথ ব্যবহার করার জন্য সৎযোগ্য, আদর্শ ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে না পারলে বিগত ফ্যাসিস্টের মতো দুর্নীতির আঁকড়ায় পরিনত হবে। ডক্টর হামিদুর রহমান আযাদ জুলাই সনদের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে জনসচেতনাতা বাড়ানোর জন্য সরকারি, বেসরকারি ও শায়িত্বশাসন প্রতিষ্ঠানের জোরালো ভুমিকা পালন করার আহবান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলা উত্তরের আমির মাষ্টার নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাষ্টার বশির আহমদ,ধলঘাটা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম, মাতারবাড়ির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা আনছারুল করিম, রাইহান উদ্দিন খোন্দাকারসহ নেতৃবৃন্দ।
প্রেসবিজ্ঞপ্তি : 





















