কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীর মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান গেইটের সামনে অভিযান চালিয়ে বিশেষভাবে লুকানো তিন হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ ঘটনায় ঢাকার সাভারের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী মো. জামালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভিযান শেষে তাকে চকরিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, একটি নীল রঙের টাটা কোম্পানির পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ন-২১-৭৬৮৫) করে কক্সবাজার সদর এলাকা থেকে ইয়াবার বড় চালান ঢাকার সাভারের দিকে নেওয়া হচ্ছে। এমন খবরে সোমবার সকাল থেকে ডিবির একটি দল ঘটনাস্থলে ওঁতপেতে থাকে। সকাল সকাল ৮টার দিকে সন্দেহভাজন পিকআপটি দ্রুতগতিতে চেকপোস্টের দিকে এগিয়ে এলে ডিবির সদস্যরা গাড়িটি থামায়। গাড়ির চালক নিজেকে পরিচয় দেন মো. জামাল হিসেবে। তাকে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালনার কারণ ও কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি অসংলগ্ন উত্তর দেন এবং গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজনের সামনে চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পিকআপে লুকানো ইয়াবার কথা স্বীকার করেন।
ডিবির সদস্যরা গাড়ির চালকের পাশের সামনের সিটের নিচ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো দুটি পোটলা উদ্ধার করে। যার মধ্যে তি হাজার ইয়াবা ছিলো। পরে, পিকআপটি ও ইয়াবাগুলো জব্দ করে হেফাজতে নেয়।
এসআই মো. ইছমাইল হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া মো. জামাল বলেন তিনি কক্সবাজার সদর এলাকা থেকে কম দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার সাভারসহ আশপাশের এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করেন। উদ্ধার করা ইয়াবাগুলোও ঢাকায় নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল।
তিনি আরও বলেন, পিকআপটি বিশেষভাবে প্রস্তুত করা ছিল। যাতে সিটের নিচে মাদক লুকানো থাকে এবং বাহির থেকে সহজে ধরা না পড়ে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমন চৌধুরী বলেন, ‘গ্রেপ্তার জামালের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে জব্দ করা ইয়াবা ও পিকআপসহ চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদক পাচারকারী জামালকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।’
নিজস্ব প্রতিবেদক : 
























