ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কন্যাকে বাল্যবিবাহের দায়ে পিতাকে জরিমানা পেকুয়ায় অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ১০ বসতবাড়ি, ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি নাহিদের বাসায় তারেক রহমানের ৪৫ মিনিট কুতুবদিয়ায় ৪ বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই টেকনাফে ধরা পড়লো ২০০ কেজি ওজনের মাইট্যা মাছ: বিক্রি ৪০ হাজার টাকায় জামায়াতসহ ১১ দল আগামীকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করবে রামকুট তীর্থধামে মহারামনবমী মেলা ২৩ মার্চ “আমার বাসায় তারেক রহমানের আগমন জাতীয় রাজনীতির ঐতিহাসিক মুহূর্ত”: শফিকুর রহমান পদত্যাগ করেছেন আইজিপি বিভাগে বিভাগে ভিন্ন সুর: ভোটের মানচিত্রে দ্বিমেরু রাজনীতির স্পষ্ট বার্তা রমজান উপলক্ষে ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৪০ বাড়ি ও অর্ধশত গাড়ি মোদি নয়, আসবেন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা ও পররাষ্ট্র সচিব আইজিপি বাহারুলের পদত্যাগের গুঞ্জন অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: সৈকতের দুই ঘোড়া চালক আটক
নষ্ট হয়ে গেছে আমনের বীজতলা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ২০ গ্রাম এবং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ৩ টি ক্যাম্প প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্লাবিত এলাকাগুলো হলো- হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখা চৌধুরী পাড়া, কুলাল পাড়া, চর পাড়া, রত্না পালংয়ের পশ্চিম রত্না, সাদৃকাটা, জালিয়া পালং ইউনিয়নের নম্বরী পাড়া, পাইন্যাশিয়া, সোনাই ছড়ি, সোনার পাড়ার রেজু মোহনা, মন খালী ছেপট খালী রাজা পালং ইউনিয়নের তুতুরবিল, পিনজিরকুল, মাছ কারিয়া, হরিণমারা হিজুলিয়া, ও পালং ইউনিয়নে রহমতের বিল আঞ্জুমান পাড়া, ধামন খালীসহ নিচু এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসব এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ভরাট ড্রেইন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নামের তালিকা তৈরি করার জন্য ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের কে বলা হয়েছে বলে জানান উখিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউসার হোসেন।

উখিয়ার কুতুপালং এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। পুকুর পানি ডুকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে গেছে।

হেলাল উদ্দিন বলেন, কুতুপালং এলাকার সংশ্লিষ্ট ৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে এবারে আমন বীজ তলা নষ্ট হয়েছে জানিয়ে উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুস্তাক আহমদ বলেন, সবজি ক্ষেত, বীজ তলা ও পানের বরজ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীন রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও উপজেলার থাইংখালী – মোছারখোলা সড়কে গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। এতে করে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে গত ৪ দিন থেকে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সোমবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত ৩০ ঘন্টায় ২২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করার তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

নষ্ট হয়ে গেছে আমনের বীজতলা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ২০ গ্রাম এবং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ৩ টি ক্যাম্প প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্লাবিত এলাকাগুলো হলো- হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখা চৌধুরী পাড়া, কুলাল পাড়া, চর পাড়া, রত্না পালংয়ের পশ্চিম রত্না, সাদৃকাটা, জালিয়া পালং ইউনিয়নের নম্বরী পাড়া, পাইন্যাশিয়া, সোনাই ছড়ি, সোনার পাড়ার রেজু মোহনা, মন খালী ছেপট খালী রাজা পালং ইউনিয়নের তুতুরবিল, পিনজিরকুল, মাছ কারিয়া, হরিণমারা হিজুলিয়া, ও পালং ইউনিয়নে রহমতের বিল আঞ্জুমান পাড়া, ধামন খালীসহ নিচু এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসব এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ভরাট ড্রেইন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নামের তালিকা তৈরি করার জন্য ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের কে বলা হয়েছে বলে জানান উখিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউসার হোসেন।

উখিয়ার কুতুপালং এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। পুকুর পানি ডুকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে গেছে।

হেলাল উদ্দিন বলেন, কুতুপালং এলাকার সংশ্লিষ্ট ৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে এবারে আমন বীজ তলা নষ্ট হয়েছে জানিয়ে উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুস্তাক আহমদ বলেন, সবজি ক্ষেত, বীজ তলা ও পানের বরজ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীন রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও উপজেলার থাইংখালী – মোছারখোলা সড়কে গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। এতে করে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে গত ৪ দিন থেকে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সোমবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত ৩০ ঘন্টায় ২২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করার তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস।