Sunday, April 21, 2024

ভুঁড়ি কমাতে সকালে যা করবেন

টিটিএন ডেস্ক :

অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়ার ফলে আপনি মোটা হয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া আপনার পেটে জমেছে চর্বি। আর দেহের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ ডায়েট করেন আবার কেউ কেউ ব্যায়াম। তবে এসবে দেখা যায়, শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও সহজে পেটের মেদ কমে না।

তাই পেটের মেদ কমাতে সকালে এই কাজগুলো করুন। চলুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই-

সকালে খালি পেটে পানি পান
পেটের মেদ/ভুঁড়ি কমাতে চাইলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করুন। এতে শরীর থেকে টক্সিন পদার্থগুলো বেরিয়ে যাবে। বাড়বে বিপাকহারও। এ ছাড়া খালি পেটে পানি পান করলে ক্ষুধার প্রবণতাও কমে।

ট্রান্স ফ্যাট আছে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন
সয়াবিন তেলের মতো অসম্পৃক্ত চর্বিগুলিতে হাইড্রোজেন পাম্প করে ট্রান্স ফ্যাট তৈরি করা হয়। তাই এ ধরনের খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন।

সকালে ব্যায়াম করুন
সকালে ব্যায়াম পেটের চর্বি কমানোর একটি কার্যকর উপায়। যেমন: দ্রুত হাঁটা, যোগব্যায়াম, দৌড়ানো ইত্যাদি। দিনের শুরুতে ব্যায়াম করলে বিপাকক্রিয়া উন্নত হয়। এ ছাড়া চর্বি অক্সিডেশনকে উন্নীত করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

স্বাস্থ্যসম্মত নাশতা করুন
রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং বিপাকক্রিয়া বাড়ানোর জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ নামতা করা জরুরি। যেমন: ডিম, গ্রীক দই বা প্রোটিন স্মুদির মতো খাবার দিয়ে আপনার দিন শুরু করতে পারেন। কেননা প্রোটিন হজম করতে আরও শক্তি নেয়, এতে আপনাকে আরো বেশি ক্যালোরি পোড়াতে বাধ্য করে।
আপনি যদি পেটের চর্বি কমানোর চেষ্টা করেন তবে মাছ, চর্বিহীন মাংস এবং মটরশুটির মতো উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারগুলো উপকারী হতে পারে।

সচেতনভাবে খাওয়ার অভ্যাস
মননশীল খাওয়ার মধ্যে রয়েছে আপনার খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দেয়া, প্রতিটি কামড়ের স্বাদ গ্রহণ করা এবং ধীরে ধীরে খাওয়া। এই অভ্যাসটি ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া অতিরিক্ত খাওয়া বন্ধ করতে ও পেটে চর্বি জমা কমাতে সাহায্য করে। এ কারণে আপনার খাবারের স্বাদ এবং টেক্সচারের স্বাদ গ্রহণ করুন।

ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান
আপনি যদি আপনার সকালের নাশতায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন, তাহলে দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন। পুরো শস্য, ফল, শাকসবজি এবং লেবু এগুলো কাদ্য তালিকায় রাকার চেষ্টা করুন। ফাইবার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
দীর্ঘস্থায়ী চাপ ওজন বৃদ্ধি করতে অবদান রাখে, বিশেষ করে পেটের অঞ্চলে। তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন সকালে ধ্যান করার। এতে আপনি আপনার মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। ধ্যানের মাধ্যমে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং সামগ্রিক সুস্থতার প্রচার করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে মাত্র কয়েক মিনিটের ধ্যান আপনার শরীরের পেটের চর্বি পোড়ানোর ক্ষমতার উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম
ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যাবশ্যক। ঘুমের অভাব হরমোন নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত করে, ক্ষুধা বাড়ায় এবং চর্বি সঞ্চয়ের প্রচার করে, বিশেষ করে পেটের অঞ্চলে। আপনার শরীরের চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়াগুলিকে সমর্থন করতে এবং পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করার জন্য প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা মানসম্পন্ন ঘুমের লক্ষ্য রাখুন।
৬৮ হাজার নারীর উপর ১৬ বছর যাবৎ করা গবেষণা থেকে জানা যায়, যারা প্রতিদিন ৫ ঘণ্টার কম ঘুমায় তাদের ওজন বৃদ্ধির সম্ভবনা বেশি।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

You cannot copy content of this page