Monday, May 27, 2024

ঈদ ও নববর্ষের ছুটিতে তিল ধারনের ঠাঁই নেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে

সানজীদুল আলম সজীব

ঈদের এবং বাংলা নববর্ষের ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগম হয়েছে কক্সবাজারে। সমুদ্র সৈকতের কোন পয়েন্টেই নেই তিল ধারণের ঠাঁই। ফাকা নেই কোন হোটেল মোটেলও। অন্যদিকে চৈত্রের শেষ দিনে তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে সমুদ্র স্নানে মেতে উঠেছে লাখো পর্যটক।

সমুদ্র সৈকতে লাবণি,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট ছাড়াও আশপাশের বেশ কিছু পয়েন্টে পর্যটকরা সমুদ্রস্নানে মেতে উঠেছেন। আর সমুদ্রস্নানে মেতে উঠা বিশাল সংখ্যক পর্যটকদের নিরাপত্তায় অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে লাইফ গার্ড কর্মীরা।

হোটেল গ্রেন্ড সেন্ডীর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, কক্সবাজারের সাড়ে চারশতাধিক হোটেল মোটেলে পর্যটক ধারণ ক্ষমতা আছে প্রায় দেড় লাখ। হোটেল ভাড়া নিয়ে যাতে তৃতীয় পক্ষের কাছে কোন ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয় সেদিক বিবেচনায় আগে থেকে হোটেল বুক দিয়ে কক্সবাজার আসার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন কক্সবাজার এর সাধারণ সম্পাদক নুরুল কবির পাশা বলেন, বর্তমান কক্সবাজার প্রায় ২ লাখের অধিক পর্যটক অবস্থান করছে আগামীকাল নাগাদ সেটি সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ পর্যন্ত হতে পারে।

এই বিশাল সংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, বিপুল সংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তায় পুরো সমুদ্র সৈকত এলাকায় ২৫ টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সবধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইয়ামিন হোসাইন জানান, কোন পর্যটক যাতে পরিবহন খাত থেকে শুরু করে একেবারে সমুদ্র সৈকতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে লক্ষ্যে বিশাল সংখ্যক পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে পর্যটকদের সেবা ও ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

You cannot copy content of this page