Saturday, April 13, 2024

মহেশখালীতে নিজেদের জায়গা দাবি করে বাঁধা, বন্ধ কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালীতে কর্মসৃজন প্রকল্পের চলমান সরকারি রাস্তা মেরামতের কাজে সন্ত্রাসী কায়দায় বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় কাজ বন্ধ রেখে চলে আসার কথা জানিয়েছেন ওই প্রকল্পের ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধি।

বুধবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকার সময় মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা (দরগাহ ঘোনা) ১নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাতারবাড়ি সড়ক হতে হাফেজ রিদুয়ানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকরা কাজ করতে আসলে উক্ত প্রকল্পের মাঝি জয়নাল আবেদীন জুনুর ইন্ধনে স্থানীয় মৃত আজিজুল রহমানের পুত্র আনোয়ার হোছাইন মনু (৪২), মৃত ফিরোজ আহমদের পুত্র মোরশেদ (২৭),তাহেরা বেগম (৩০) সহ আরো ৬-৭ জন নারী পুরুষ এসে বাঁধা দেন।

এসময় প্রকল্প সভাপতি ও স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য ইসমুত আরা, স্থানীয় ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওসমান গণি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি রবিউল্লাহ সিকদার উপস্থিত ছিলেন বলেন সূত্রটি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে জানতে ইন্ধন দাতা হিসেবে অভিযুক্ত প্রকল্পের মাঝি জয়নাল আবেদীন জুনুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেন এবং প্রতিপক্ষের বাঁধায় কাজ করতে পারেননি বলে জানান।

এ বিষয়ে কথা হয় বাঁধা প্রদানকারী মোরশেদের সাথে।বাঁধা দেওয়ার কথা স্বীকার করে মোরশেদ বলেন,রাস্তা তৈরি কৃত জমির অংশ থেকে আমরা জায়গা পাবো, তাই আমরা বাঁধা দিয়েছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ওসমান গণির কথায় ফুটে উঠে ভিন্ন চিত্র। তাঁর দাবি, প্রকল্পের মাঝি জয়নাল আবেদীন জুনুর ইন্ধনে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালানো হয়।প্রকল্পের মাঝি জয়নাল আবেদীন জুনু ষড়যন্ত্র করার কারণে সড়কটি অনেক আগে প্রকল্পের আওতায় পড়লেও কাজ করা হয়নি। মাঝি নিজেকে চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ সকলের উপরে বলে মনে করেন। মাঝি চাইলে কাজ হয়, না চাইলে হয়না এমনটা দাবি করেন ইউপি সদস্য ওসমান।

এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য ইসমুত আরা জানান,আমরা কাজ করতে গেলে একদল লোক দা-ছুরি নিয়ে কাজে বাঁধা দেয়। তারা কাজ করলে হামলা চালাবে বলে জানিয়ে দেয়।পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় আমরা কাজ না করে চলে আসি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি রবিউল্লাহ সিকদার জানান, রাস্তাটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকার কারণে আমিসহ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু কাজ করতে চাইলে একদল লোক সন্ত্রাসী কায়দায় বাঁধা সৃষ্টি করে। তাদের বাঁধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে, রাস্তাটিতে তাদের জায়গা আছে বলে দাবি করেন। তবে তার স্বপক্ষে কোন প্রমাণ তারা দেখাতে পারেনি।এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনা পূর্বক কাজ বন্ধ করে আমরা চলে আসি।

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীকি মারমা বলেন, এরকম কোন অভিযোগ পায়নি তবে বিষয়টি আমি খবর নিয়ে দেখছি।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

You cannot copy content of this page