Monday, February 26, 2024

টেকনাফ রুট বন্ধ,কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন গেল দেড় হাজার পর্যটক

সাইফুল আফ্রিদি

মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে পর্যটকদের নিরাপত্তাজনিত কারণে শনিবার ১০ (ফেব্রুয়ারী) থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে বন্ধের শুরুর দিনেই কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী থেকে দুটি জাহাজে করে প্রায়ই দেড় হাজারের মত পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন বলে জানা গেছে।

জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, আগে থেকেই ইনানী- সেন্টমার্টিন নৌপথে ‘এমভি কর্নফুলি’ নামের একটি জাহাজ চলাচল করতো। তবে মিয়ানমারের সংঘাতের কারণে টেকনাফ- সেন্টমার্টিন নৌপথে জেলা প্রশাসনের নিষেধজ্ঞার পর এই পথে একই মালিকের গতকাল দুটি জাহাজ চলাচল করেছে। অপর জাহাজ ‘ এমভি বার আউলিয়া’ এর আগে টেকনাফ- সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করতো।

জাহাজ কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে কথা বলে জানা গেছে, মিয়ানমারের সংঘাতের কারণে নৌপথে অন্যান্য মালিকের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে একই মালিকের দুটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই দুটি জাহাজে করে গতকাল প্রায়ই দেড় হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমন করেছেন। তবে ভরা মৌসুমে একটি পক্ষকে লাভবান করতেই প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এমভি কর্ণফুলি ও এমভি বার আউলিয়া কক্সবাজার ম্যানেজার বাহাদুর হোসেন বলেন, গতকাল আমাদের দুটি জাহাজে করে প্রায়ই দেড় হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। তবে ফেরার সময় যাত্রী বেশি ছিল। অন্যান্য জাহাজ চলাচল না করায় তাদের যাত্রী আমরা বিনা পয়সায় নিয়ে এসেছি।

তিনি আরো বলেন, একসময় এমভি বার আউলিয়া কক্সবাজার- সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করতো। তবে এবারের মৌসুমের শুরু থেকেই জাহাজটি টেকনাফ থেকে যাতায়াত করে।

এবিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ামিন হোসেন জানান, টেকনাফ থেকে জাহাজ না চললেও কক্সবাজার থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে পারছেন। আজ এখান থেকে দুটি জাহাজ গিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন নিষেধেজ্ঞা দেওয়ায় এমভি বার আউলিয়া ঢাকা থেকে এই নৌপথে চলাচলের অনুমতি নিয়ে এসেছে। অন্যান্য জাহাজ মালিকদের আমি এভাবে অনুমতি নেওয়ার পরমার্শ দিয়েছি। যেসব জাাজ অনুমোদন আনবে সেসব জাহাজ চলাচল করতে পারবে।

এর আগে জেলা প্রশাসন পর্যটকদের নিরাপত্তাজনিত কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাময়িক জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

You cannot copy content of this page