Monday, March 4, 2024
spot_img

আতংকে ব্যাহত প্রস্তুতি: কেন্দ্র নিয়ে অনিশ্চয়তায় সীমান্ত এলাকার এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

শামীমুল ইসলাম ফয়সাল :

সকাল থেকে রাত পুরোটা সময় কাটে আতংকে।কখন ওপারে শুরু হয় গোলাগুলি বর মর্টার শেল নিক্ষপ। ওপারে সংঘাত শুরু হলে এপারে শুরু হয় আতংক। কখন জানি ওপারের বুলেট, মর্টালশেল এপারে এসে পড়ে। আর বিকট আওয়াজে লেখাপড়া করা পরিবেশ তো দুরের কথা নিজের প্রান হাতে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তের এসব শিক্ষার্থীরা এখন সংকটে পড়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে।কারণ সীমান্তে প্রতিনিয়ত মিয়ানমার থেকে গোলার শব্দ ও ভারি মর্টারশেল নিক্ষেপের আওয়াজ ভেসে আসে। কখনও কখনও ওপারের মটারশেল ও গুলি এসে পড়ছে এপারে।

শিক্ষার্থীরা বলছে, গুলির শব্দের কারণে কোনোভাবেই মনোযোগ দেওয়া যায়না লেখাপড়ায়।
আতঙ্কে তাঁরা নিজেরাই বাড়িতে থাকতে পারে না, পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেও বিদ্যালয়গুলোতে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের সদস্যদেরকে ধুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে, ফলে কোচিং ও ক্লাসও বন্ধ রয়েছে

এদিকে এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন অভিভাকরা। তাঁরা বলছেন, মিয়ানমারের অভ্যান্তরিণ সংঘর্ষের প্রভাব পড়ছে সরাসরি বাংলাদেশে, ফলে নিজেরাই আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্রে থাকছেন।
তাঁরা বলছেন, প্রতিনিয়ত ভারি অস্ত্রের শব্দ আর মর্টারশেল নিক্ষেপের ঘটনায় তাঁদের জনজবিন থমকে গেছে, এমন অবস্থায় বাড়ির শিশুরাও থাকে আতঙ্কে। ব্যাহত হচ্ছে লেখাপড়া।

নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হতো ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়, গত বছরও সীমান্তের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় সেবার জরুরী মুহুর্তে এসএসসি পরিক্ষা নেওয়া হয়েছিলো কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ে।
এদিকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়া হবে।
তবে এবার কুতুপালং নয়, অন্য বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়া হবে।

এদিকে মিয়ানমারে চলমান সংঘর্ষ কিছুটা কমলেও কাটেনি আতঙ্ক, ফলে অনিশ্চয়তায় পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

You cannot copy content of this page