ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কন্যাকে বাল্যবিবাহের দায়ে পিতাকে জরিমানা পেকুয়ায় অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ১০ বসতবাড়ি, ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি নাহিদের বাসায় তারেক রহমানের ৪৫ মিনিট কুতুবদিয়ায় ৪ বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই টেকনাফে ধরা পড়লো ২০০ কেজি ওজনের মাইট্যা মাছ: বিক্রি ৪০ হাজার টাকায় জামায়াতসহ ১১ দল আগামীকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করবে রামকুট তীর্থধামে মহারামনবমী মেলা ২৩ মার্চ “আমার বাসায় তারেক রহমানের আগমন জাতীয় রাজনীতির ঐতিহাসিক মুহূর্ত”: শফিকুর রহমান পদত্যাগ করেছেন আইজিপি বিভাগে বিভাগে ভিন্ন সুর: ভোটের মানচিত্রে দ্বিমেরু রাজনীতির স্পষ্ট বার্তা রমজান উপলক্ষে ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৪০ বাড়ি ও অর্ধশত গাড়ি মোদি নয়, আসবেন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা ও পররাষ্ট্র সচিব আইজিপি বাহারুলের পদত্যাগের গুঞ্জন অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: সৈকতের দুই ঘোড়া চালক আটক
টিটিএনের সংবাদ প্রচার

অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ হওয়া শিশু তৌহিদের জন্য ২০’হাজার টাকা অর্থসহায়তা পাঠালো উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন

  • কাব্য সৌরভ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • 409

‘আমি বাঁচতে চাই, আমার সহপাঠীরা খেলা করলে আমারও খেলতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা, আমার দুর্বল লাগে–আমি সবার মতো বাঁচতে চাই।’ এভাবেই টিটিএনের স্ক্রিনে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছিল মহেশখালী কালারমারছড়ার ফুলের ঝিরি নামক এলাকার থ্যালাসেমিয়া রোগী শিশু তৌহিদুল ইসলাম।

টানাপোড়েনের সংসারে তৌহিদের অসহায় পিতা তার চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না, ফলে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় ১০ বছর বয়সী দুরন্তপনা এই শিশুর চিকিৎসা। বিষয়টি টিটিএনের প্রচারিত সংবাদে দেখতে পেয়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা প্রবাসীদের সংগঠন ‘উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন’ ২০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা পাঠায়।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকালে তৌহিদের পিতা মো. মোজাম্মেলের হাতে এই টাকা তুলে দেন উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন হয়ে তাহাবুল আলম সৌরভ। এ-সময় তৌহিদের পিতা মোজাম্মেল আবেগাপ্লুত হয়ে উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশনের সকলকে ধন্যবাদের সাথে কৃতজ্ঞতা জানান।

এই বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি সাহেদ মোহাম্মদ বাপ্পি ও প্রচার সম্পাদক মনির উদ্দিন জানান, টিটিএনের সংবাদটি দেখার পর তৌহিদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। তার চিকিৎসা যেন বন্ধ না হয় তারজন্য পরবর্তীতে আরো সহযোগিতা পাঠাবেন তারা। তারা জানান, বিভিন্নদেশে অবস্থান করা প্রবাসীদের এই সংগঠন অসহায় দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে। আগামীতে আরো সুদৃঢ়ভাবে মানুষের সহযোগিতায় তারা বিস্তরভাবে হাত বাড়িয়ে দিবেন।

তৌহিদের বড়বোনও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ছিল। দরিদ্র পিতা তার সবটুকু সম্পদ বিক্রি করে কন্যার চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। ধারদেনা আর মজুরির টাকায় এতদিন তৌহিদের চিকিৎসা আর নিয়মিত ব্লাড দিয়ে আসলেও টানাপোড়েনের সংসারে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তৌহিদের চিকিৎসা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

টিটিএনের সংবাদ প্রচার

অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ হওয়া শিশু তৌহিদের জন্য ২০’হাজার টাকা অর্থসহায়তা পাঠালো উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন

আপডেট সময় : ০৮:২৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

‘আমি বাঁচতে চাই, আমার সহপাঠীরা খেলা করলে আমারও খেলতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা, আমার দুর্বল লাগে–আমি সবার মতো বাঁচতে চাই।’ এভাবেই টিটিএনের স্ক্রিনে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছিল মহেশখালী কালারমারছড়ার ফুলের ঝিরি নামক এলাকার থ্যালাসেমিয়া রোগী শিশু তৌহিদুল ইসলাম।

টানাপোড়েনের সংসারে তৌহিদের অসহায় পিতা তার চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না, ফলে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় ১০ বছর বয়সী দুরন্তপনা এই শিশুর চিকিৎসা। বিষয়টি টিটিএনের প্রচারিত সংবাদে দেখতে পেয়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা প্রবাসীদের সংগঠন ‘উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন’ ২০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা পাঠায়।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকালে তৌহিদের পিতা মো. মোজাম্মেলের হাতে এই টাকা তুলে দেন উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশন হয়ে তাহাবুল আলম সৌরভ। এ-সময় তৌহিদের পিতা মোজাম্মেল আবেগাপ্লুত হয়ে উত্তর নলবিলা প্রবাসী ফাউন্ডেশনের সকলকে ধন্যবাদের সাথে কৃতজ্ঞতা জানান।

এই বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি সাহেদ মোহাম্মদ বাপ্পি ও প্রচার সম্পাদক মনির উদ্দিন জানান, টিটিএনের সংবাদটি দেখার পর তৌহিদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। তার চিকিৎসা যেন বন্ধ না হয় তারজন্য পরবর্তীতে আরো সহযোগিতা পাঠাবেন তারা। তারা জানান, বিভিন্নদেশে অবস্থান করা প্রবাসীদের এই সংগঠন অসহায় দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে। আগামীতে আরো সুদৃঢ়ভাবে মানুষের সহযোগিতায় তারা বিস্তরভাবে হাত বাড়িয়ে দিবেন।

তৌহিদের বড়বোনও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ছিল। দরিদ্র পিতা তার সবটুকু সম্পদ বিক্রি করে কন্যার চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। ধারদেনা আর মজুরির টাকায় এতদিন তৌহিদের চিকিৎসা আর নিয়মিত ব্লাড দিয়ে আসলেও টানাপোড়েনের সংসারে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তৌহিদের চিকিৎসা।