ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নেই, কক্সবাজারেও ভোগান্তি আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল অর্জন করলেন টেকনাফের সাউদা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারবে না – উখিয়ায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছেন ইইউ’র ৫৬ পর্যবেক্ষক দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল, নতুনভাবে গঠন জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে- কক্সবাজারে আদিলুর রহমান খান ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি শুরু হোয়াইক্যং সীমান্তের চিংড়ি ঘের থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার পেকুয়ায় লবণ চাষিকে কুপিয়ে আহতের অভিযোগ সীমান্তে মা ই ন বি স্ফো র ণে এক পা হারানো হানিফের অন্য পা নিয়েও শঙ্কা মানব পাচারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, টেকনাফে গুলিবিদ্ধ কিশোরীর মৃত্যু

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নেই, কক্সবাজারেও ভোগান্তি

This will close in 6 seconds

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

আপডেট সময় : ১০:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।