ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজাহান চৌধুরীর তাক লাগানো বিজয় ‘আল্লাহ হলেন সহায়’ ‘পরীক্ষিত সন্তান’ কাজলের বাজিমাত দুই দ্বীপে তৃতীয়বার ভিড়ল আলমগীর ফরিদের জয়ের তরী! ‘বিএনপি বিজয় উল্লাস করবে না, দায়িত্ব বেশি’ – ৪র্থ বার জয়ের পর সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজারে ভোট গ্রহন হয়েছে ৫০ শতাংশ কক্সবাজার-১ আসনে ঐতিহাসিক বিজয়: সালাহউদ্দিন আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের কক্সবাজারের ৪ টি আসনেই বিএনপির জয় জয়কার.. ১৭ বছর পর সংসদে ফিরছেন লুৎফুর রহমান কাজল দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ : ইসি সচিব সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোট দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৮৬টি বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কঠোর সেনাবাহিনী, মোড়ে মোড়ে তল্লাশি ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং হলে ফলাফল না মানার হুঁশিয়ারি মির্জা আব্বাসের একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন শাহজাহান ও আনোয়ারী ভোট দিলেন সেনাপ্রধান

অস্বাস্থ্যকর খাবার: কক্সবাজারে হান্ডিসহ ৪ রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

কক্সবাজার শহরের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চারটি রেস্টুরেন্টকে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা বেগমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত রেস্টুরেন্টগুলো হলো, লাবণী পয়েন্টের হান্ডি রেস্টুরেন্ট ৩০ হাজার টাকা, সুগন্ধা পয়েন্টের কাঁচা লংকা রেস্টুরেন্ট ৪০ হাজার টাকা ও ক্যাফে দরবার ৩০ হাজার টাকা, আর কলাতলী মেইন রোডের ক্যাফে জামান রেস্টুরেন্ট ১৫ হাজার টাকা।

কক্সবাজারে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত ও নামজাদা হান্ডি রেস্টুরেন্টেও এ ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ায় অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, জনপ্রিয়তা ও সুনামের সুযোগ নিয়ে মালিকপক্ষ নিয়ম-কানুনকে অবহেলা করে চলছিল। ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এ অভিযান ভোক্তাদের সচেতন করার পাশাপাশি মালিকপক্ষের জন্যও বড় সতর্কবার্তা।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা বেগম বলেন, “সব রেস্টুরেন্ট মালিকদের আমরা সতর্ক করছি। ভবিষ্যতে কেউ স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন নিশ্চিত না করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,পর্যটন এলাকাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তা শুধু স্থানীয়দের নয়, পর্যটকদেরও ঝুঁকিতে ফেলে। এ ধরনের রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়ার পর খাদ্যে বিষক্রিয়ার মতো ঘটনা ঘটলে পর্যটন শিল্পের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর বা দূষিত খাবার খেলে দীর্ঘমেয়াদে হেপাটাইটিস, পেটের রোগ, খাদ্যে বিষক্রিয়া, এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে। বিশেষ করে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যেখানে প্রতিদিন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক খাবারের জন্য এসব রেস্টুরেন্টে ভিড় জমায়, সেখানে এ ধরনের অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ ও ৫২ ধারায় খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার, এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের দায়ে অর্থদণ্ড ও অন্যান্য শাস্তির বিধান রয়েছে। একই আইনে পুনরাবৃত্তি ঘটলে কারাদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

অস্বাস্থ্যকর খাবার: কক্সবাজারে হান্ডিসহ ৪ রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৪:৫১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার শহরের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চারটি রেস্টুরেন্টকে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা বেগমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত রেস্টুরেন্টগুলো হলো, লাবণী পয়েন্টের হান্ডি রেস্টুরেন্ট ৩০ হাজার টাকা, সুগন্ধা পয়েন্টের কাঁচা লংকা রেস্টুরেন্ট ৪০ হাজার টাকা ও ক্যাফে দরবার ৩০ হাজার টাকা, আর কলাতলী মেইন রোডের ক্যাফে জামান রেস্টুরেন্ট ১৫ হাজার টাকা।

কক্সবাজারে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত ও নামজাদা হান্ডি রেস্টুরেন্টেও এ ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ায় অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, জনপ্রিয়তা ও সুনামের সুযোগ নিয়ে মালিকপক্ষ নিয়ম-কানুনকে অবহেলা করে চলছিল। ফলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এ অভিযান ভোক্তাদের সচেতন করার পাশাপাশি মালিকপক্ষের জন্যও বড় সতর্কবার্তা।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা বেগম বলেন, “সব রেস্টুরেন্ট মালিকদের আমরা সতর্ক করছি। ভবিষ্যতে কেউ স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন নিশ্চিত না করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,পর্যটন এলাকাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তা শুধু স্থানীয়দের নয়, পর্যটকদেরও ঝুঁকিতে ফেলে। এ ধরনের রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়ার পর খাদ্যে বিষক্রিয়ার মতো ঘটনা ঘটলে পর্যটন শিল্পের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর বা দূষিত খাবার খেলে দীর্ঘমেয়াদে হেপাটাইটিস, পেটের রোগ, খাদ্যে বিষক্রিয়া, এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে। বিশেষ করে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যেখানে প্রতিদিন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক খাবারের জন্য এসব রেস্টুরেন্টে ভিড় জমায়, সেখানে এ ধরনের অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ ও ৫২ ধারায় খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার, এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের দায়ে অর্থদণ্ড ও অন্যান্য শাস্তির বিধান রয়েছে। একই আইনে পুনরাবৃত্তি ঘটলে কারাদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে।